
অলঙ্করণ: অপূর্ব খন্দকার
যৌবনে পোশাক-আশাকের প্রতি খুব নেশা ছিল আমার। সকালে এক শার্ট, বিকেলে আর একটা চড়িয়ে বেলবটম প্যান্ট, চিকন বেল্ট আর হাইহিল জুতো পরে গটগট করে ঘুরে বেড়াতাম। আমাদের কাপড় সেলাই করত শহরের নামকরা দর্জি নীলু টেলরিং অ্যান্ড আউটফিট। আমাদের বন্ধুর দোকান। টাকা-পয়সায় নিতো না। ডেলিভারি দিতে দেরি করত অবশ্য। তাতে কিছু মনে করতাম না।
গতরে মাখতাম ‘অন্তরঙ্গ’ সেন্ট। তখন শার্ট-প্যান্টের হরেক রকমের ডিজাইন ছিল, কাপড়ও আসত নানান ধরনের। পারফিউম? ব্র্যান্ডের লেখাজোকা ছিল না- জেন্টেলমেন গিভেন্সি, ওপিয়াম, লাগের ফিল্ড, আরামিস, টেলেস ব্রুট, জোভান মাস্ক, রয়াল কোপেনহাগেন, ওল্ড স্পাইস, হেই ক্যারাটে, ড্রাকার। বিস্তর খরচ হতো এসবের পেছনে। আমাদের সংসারের সর্বেসর্বা ছিলেন মা। আমার এইসব ফুটানি দেখে এক সময় অসহ্য হয়ে উঠলেন। একদিন সাফ বলে দিলেন- বাবুগিরি করতে হয় তো নিজের পয়সায় কর। আমি আকাশ থেকে পড়লাম! আরো পড়ুন
No comments:
Post a Comment