
বর্ষা মৌসুমে এবং বন্যাদুর্গত এলাকায় মানুষের মতো সাপও বাস্তুহীন হয়ে পড়ে। যার কারণে বাংলাদেশে মে, জুন জুলাই মাসে বেশি সাপে কাটার ঘটনা ঘটে। তবে সাধারণত অক্টোবর পর্যন্ত সাপ কাটার প্রকোপ অব্যহত থাকে। এই সময়ে যেখানেই সাপ শুকনো জায়গা যেখানে পায়, সেখানেই আশ্রয় নেয়। ফলে এই সময়গুলোতে সাপে কাটার রোগীর সংখ্যা অনেক বেড়ে যায়। তাই সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
টক্সিকোলজি সোসাইটি অব বাংলাদেশের তথ্যমতে, বাংলাদেশে প্রায় ১০০ প্রজাতির সাপ রয়েছে। এর মধ্যে ২৭ ধরনের সাপ বিষাক্ত। আবার এদের মধ্যে ১৬ ধরনের সাপই সামুদ্রিক।আরো পড়ুন..
No comments:
Post a Comment